Terror in India

This WordPress.com site is the cat’s pajamas


Leave a comment

সৃষ্টিকর্তা কয় প্রকার

সৃষ্টিকর্তা কয় প্রকার ******************** ইতিহাসের পাতায় হাজার হাজার সৃষ্টিকর্তা উল্লেখ রয়েছে।সৃষ্টিকর্তার মধ্যে গড,আল্লা,ভগবাণ ইত্যাদি নাম উল্লেখযোগ্য। এই সৃষ্টিকর্তার নাম গুলি আদিম মধ্যযুগীয় মানুষের অন্ধবিশ্বাস থেকে মানুষের কল্পনায় উঠে এসেছে।সৃষ্টিকর্তা যদি থাকে তবে উনি অব্যশই একজন যদি ও সৃষ্টিকর্তার ধারণা কাল্পনিক ও মিথ্যয় ভরা। ধরে নিলাম সৃষ্টিকর্তা আছে তাহলে তিনি একজন।সৃষ্টিকর্তার কোন ধর্ম নেই।সৃষ্টিকর্তা মানুষ সহ সমস্ত জীব জগত্‍ সৃষ্টি করেছেন। সৃষ্টিকর্তার একটি ধর্ম । সৃষ্টিকর্তার ধর্ম হলো সমস্ত জীব জগত্‍ এর কল্যাণ। মানুষের ধর্ম মানবতা।আল্লা,গড ,ভগবান ইত্যাদি নামের মানুষ দ্বারা সৃষ্ট নাম গুলো ভুয়ো। মানুষ দ্বারা সৃষ্ট হিন্দু,মুসলিম,খ্রীষ্টান ইত্যাদি ধর্ম গুলি জালি এবং অশান্তির আগুনের ধর্ম যা শয়তানের সৃষ্টি ধর্ম। মানবতাই প্রকৃত মানুষের ধর্ম।


Leave a comment

যো ডর গয়া ও মর গেয়া

হিন্দীতে একটা প্রবচন আছে “যো ডর গয়া ও মর গেয়া” । অথাত্‍ কোন মানুষ যদি কোন কারনে ভয়ের মধ্যে থাকে তাহলে তার মৃত্যু হয়ে গেল প্রকৃতপক্ষে। বেঁচে আছে বটে কিন্তু সে মরে গেছে । ভয় ও লোভ লালসা মানুষের অবনতি ও পতনের কারন হয়ে দাঁড়ায়। ভয়কে জয় করতে হবে এবং নিজের আত্ত্মবিশ্বাসকে জাগ্রত রাখতে পারলে তবে আমরা সুন্দর প্রকৃত জীবনের আনন্দ লাভ করতে সক্ষম হবো এবং পৃথিবীর বুকে এক স্বপ্নের উন্নত শান্তিময় সমাজ গড়ে তুলতে পারব।তার জন্য চাই উন্নত ভয়হীন মানসিকতা এবং তার সঠিক রুপায়ণ। ভয় ও দিশাহীণ নীতি ও অন্ধ ধর্ম বিশ্বাস মানব সমাজকে আদিম অন্ধকার গুহায় নিক্ষেপ করে। অন্ধ ধর্ম বিশ্বাস মানুষের মনে ভয় ভীতির এক দিশাহীন মানসিকতা ও কুসংষ্কারের পঙ্কিলে নিমজ্জিত করে জীবনকে মৃত্যু পদযাত্রী করে তোলে। মানুষর মনকে বিষিয়ে তোলে এবং সঙ্কির্ণ মানসিকতার বিকাশ ঘটায়। মানুষ হয়ে উঠে চরম স্বার্থপর। মানুষের মনুষত্য হারিয়ে যায়।

অন্ধ ধর্মিয় বিশ্বাসের ভয় থেকে না বেরোতে পারলে মুক্তি সম্ভব নয়।পাপ পূণ্যের ,বেহেশত দোজকের ,সৃষ্টিকর্তার প্রতি অজানা আতঙ্কের অন্ধবিশ্বাস থেকে বেরিয়ে কর্মের মাধ্যমে মানব ধর্ম পালনের মানসিক সদিচ্ছা ও দৃড়তাই মানুষের সুস্থ সুন্দরভাবে বেঁচে থাকার একমাত্র পথ।দিশাহীন কাল্পনিক ধর্ম ও সৃষ্টিকর্তার প্রতি অন্ধবিশ্বাস মানুষের কল্যাণ কোনদিন করতে পারে না।ভগবান ,আল্লা ,গডের বুজরুকি ,ভন্ডামি ,দ্বিচারিতা মানব সভ্যতার পক্ষে ধ্বংস ডেকে আনে এবং এটা প্রমানিত।ভগবান,আল্লা,গডের প্রতি ভয়,শ্রদ্ধা,ভক্তি মানুষের ব্যাক্তিগত জীবনে,দেশ ও সমাজের সর্বদা অনিষ্ট করে চলেছে।অযথা ভগবাণ ,আল্লা ,গডের প্রতি ভয় ,ভজনা কাটিয়ে সত্য ,ন্যায় নীতি ,আদর্শ ও মূল্যবোধের বিকাশের মাধ্যমে সভ্যতাকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে যেখনে সমাজের প্রতিটি মানুষের শান্তি ,উন্নয়ণ,নিরাপত্তা,স্বাধীনতা,আর্ধিক সামাজিক সাম্য প্রতিষ্ঠা সুনিশ্চত করা যায়।


Leave a comment

গরু জবাই মেনে নেয়া হবে না

গরু জবাই মেনে নেয়া হবে না
*****************************************
কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিং বলেছেন, সারা দেশে গরু জবাই নিষিদ্ধ করার জন্য ঐক্যমত্য গড়ে তোলার যথাসম্ভব প্রচেষ্টা চালানো হবে।

গতকাল(রোববার) রাজনাথ সিং শ্বেতাম্বর জৈন সম্প্রদায়ের সাধুসন্তদের এক সভায় ভাষণ দিতে গিয়ে একথা জানান। রাজনাথ স্পষ্ট জানান, এ দেশে গরু জবাই মেনে নেয়া হবে না।
সম্প্রতি মহারাষ্টে হিন্দু ধর্মপরায়ণ বিজেপী শিবসেনা জুটি সরকার গরু জবাই নিষিদ্ধ ঘোষনা করল। মানণীয় রাষ্টপতি গোহত্যা বন্ধ বিলে স্বাক্ষর করার পর মহারাষ্টে বিফ বন্ধ হল। অন্ধ ধর্মবিশ্বাসীদের মতে গরু নাকি গোমাতা ,গরুর মধ্যে নাকি শত শত দেব দেবী বিরাজমান। তাই নাকি গোমাতাকে পৃজা করা হয়। খুব ভালো কথা কথা,দেবদেবীরা যদি গরুর মধ্যে থাকে তাহলে ছাগল ,শুয়োর,মোষের মধ্যে ও থাকবে কারন প্রতিটি জীব ঈশ্বরের সৃষ্টি এবং প্রতিটি জীবের মধ্যে ঈশ্বর নিহিত রয়েছে। ছাগল,শুয়োর ,মোষ জবাই কেন বিজেপী বন্ধ করলোনা! এটা ঘোর অন্যায় অবিচার হলো ছাগল ,শুয়োরের প্রতি।যাকগে ছাগল ,শুয়োরের কথা বাদ দিলাম কারন ওরা ছাগল ,শুয়োর। মানুষ ঈশ্বরের দ্বারা সৃষ্ট এবং সর্বপ্রিয় জীব। ।মানুষের মধ্যে সবচেয়ে বেশী দেব দেবী রয়েছেন। মানুষরুপে কোটি কোটি দেবতা মত্যে আগমন করেছেন। মানুষের রুপে বেশীরভাগ দেবদেবী পূজিত হন। কিন্তু অবাক কথা ধর্মভক্ত সরকার বাহাদুর মানুষের কোন নিরাপত্তা দিতে পারেনা কিন্তু গরুর নিরাপত্তা নিশ্চিত করল।মানুষের থেকে গরু দামী।


Leave a comment

সৃষ্টিকর্তা কি ভাবে সৃষ্টি হলো

সৃষ্টিকর্তা কি ভাবে সৃষ্টি হলো ******************** সৃষ্টিকর্তা বলতে বোঝায় বিশ্ব তথা মহাজগতের সৃষ্টিকারী।পৃথিবীর ইতিহাসে হাজার হাজার সৃষ্টিকর্তার নাম দেখা যায়।এই সব সৃষ্টিকর্তাগণ নিজেদের বিশ্বের সৃষ্টিকারী বলে দাবী করে। অন্ধ ভক্তকূলগণ নিজেদের সৃষ্টিকর্তাকে একমাত্র সর্বশ্রেষ্ঠ ও শক্তিশালী বলে পৃজো ,প্রার্থণা ও গুণকীর্তনে সদা ব্যাস্ত। সৃষ্টিকর্তাদের মধ্যে গড,ভগবাণ,আল্লা ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য । এই হাজার হাজার সৃষ্টিকর্তা কি ভাবে সৃষ্টি হলো।সৃষ্টি কর্তার সৃষ্টির রহস্য জানতেহলে আমাদের আদিম মধ্যযুগে যেতে হবে।আদিম যুগের মানুষেরা বনে জঙ্গলে ,পাহাড়ের গুহায় বসবাস করত।পশু শিকার করে তারা নিজেদের প্রয়োজণীয় খাদ্য সংগ্রহ করত। আদিম মানুষেরা প্রথমদিকে কাঁচা মাংস খেতো এবং পরবর্তিকালে তারা আগুনের ব্যবহার করে মাংস সিদ্ধ করে খেতে শেখে।আদিম মানুষের জীবন ছিল বিপদ সঙ্কুল।বিভিন্ন প্রাকৃতিক বিপর্যয় ও বন্য হিংস্র পশুর আক্রমনের কবলে পড়ত এবং নিজেদের অসহায়,ভয় বোধ করত। আদিম মানুষের নিজেদের অজ্ঞতার কারনে তারা ভাবতে লাগল বিভিন্ন প্রকার প্রাকৃতিক বির্পযয়ের পিছনে নিশ্চয় কোন অদৃশ্য অলৌকিক শক্তির হাত আছে । আদিম মানুষেরা মনে করল অলৌকিক শক্তিকে সন্তুষ্ট করতে পারলে তারা হয়তো প্রাকৃতিক ও অন্য বিপদ থেকে রক্ষা পাবে। এই ভাবে তারা অদৃশ্য শক্তিকে বিভিন্ন নামকরণ করে বিভিন্ন কাল্পনিক সৃষ্টিকর্তা সৃষ্টি হয়েছে।এইভাবে হাজার সৃষ্টিকর্তা সৃষ্টি হয়েছে।আদিম যুগের মানুষ গাছকে শক্তি মনে করত তাই গাছের পূজা করত। সাপকে সন্তুষ্ট করার জন্য সাপের পৃজা করত।তারা মনে করত সাপকে পূজা করলে সাপ কামড়ে মারা যাওয়া থেকে মুক্তি মিলবে।এই ভাবে সাপের দেবী মনসা সৃষ্টি হলো। অনুরুপে বৃষ্টির দেবতা ও অন্য দেবদেবী সৃষ্টি হলো। পরবর্তিকালে মানুষের অন্ধ বিশ্বাস থেকে কাল্পনিক গড,আল্ল সহ হাজার হাজার সৃষ্টিকর্তা আর্বিভাব হয়েছিল।সৃষ্টিকর্তা সৃষ্টির পরবর্তিকাল কিছু মানুষ ও গোষ্ঠী নিজেদের স্বার্থে সৃষ্টিকর্তার নাম কে কাজে লাগিয়ে নিজদের সুবিধামতো ধর্ম সৃষ্টি করেছিল। এক কথায় বলা যেতে পারে সৃষ্টিকর্তা ওধর্ম আদিম মধ্য যুগের মানুষের অজ্ঞতার জন্য সৃষ্টি হয়েছে যা সম্পূর্ণ কাল্পনিক ও অন্ধবিশ্বাস যা বাস্তবে নেই।বর্তমানে আধুনিক যুগের মানুষ যে ধর্ম সৃষ্টিকর্তা মানছে ত আদিম মানুষের ভ্রান্ত ধারণা।